হাইকোর্টের রুল জারি
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১২:৪২
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রিটের বিরোধিতা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা, আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে সোমবার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক দুটি রিট দায়ের করা হয়।
রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান ই খোদা রনি ও আইনজীবী গাজী মোহাম্মদ মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।
এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা চেয়ে আরও একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন