মুক্তিযুদ্ধের রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে
প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৪১
শেখ হাসিনা , আসাদুজ্জামান খান ও আব্দুল্লাহ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ এক বিতর্কিত রায় ঘোষণা করেছে, যেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞ ও আওয়ামী লীগপন্থী বিশ্লেষকরা বলছেন,
“মুক্তিযুদ্ধের রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।”
রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন, ৫ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। মামুন প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে ছিলেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করেছেন, মামুনের সাক্ষ্য রাজনৈতিক প্রভাবিত এবং এটি বিচারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
রায়ের বিস্তারিত
রায়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৫৩ পৃষ্ঠা, ছয় অধ্যায় বিচারপ্যানেল: চেয়ারম্যান: বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীরায় দুপুর ১২:৪০ মিনিটে শুরু হয়ে ২:৫০ মিনিটে শেষ হয়।
আসামিরা পলাতক, নিরাপত্তা জোরদার
শেখ হাসিনা ও কামাল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন ।
রায়ের সময় আদালত এলাকা ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোতায়েন করা হয়।
প্রধান অভিযোগ
প্রসিকিউশন আনা পাঁচটি অভিযোগ:
উসকানি মারণাস্ত্র ব্যবহার আবু সাঈদ হত্যা চানখারপুলে হত্যা আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোমামলার নথি: ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠা
তথ্যসূত্র: ২,০১৮ পৃষ্ঠা জব্দতালিকা/দালিলিক প্রমাণ: ৪,০০৫ পৃষ্ঠা শহীদ তালিকা: ২,৭২৪ পৃষ্ঠাসাক্ষী: ৮৪ জন
আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া
আওয়ামী লীগ বলছে,
“শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণীত। এটি ন্যায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”
দলীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে রায়ের পুনর্বিবেচনা হবে এবং শেখ হাসিনার মর্যাদা পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হবে।
প্রচ্ছদ থেকে আরো পড়ুন