মুক্তমত

স্বাধীনতার ডিক্লারেশন থেকে প্রোক্লেমেশন: মুক্তিসংগ্রামের আইনি ভিত্তি

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কেবল একটি ঘোষণা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের জন্মের বৈধ দলিল। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১০ এপ্রিলের চূড়ান্ত রূপান্তর পর্যন্ত এই দলিলের বিবর্তনের গল্প আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সুসংগঠিত রূপটিকেই তুলে ধরে।

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:৩৫

শপথ গ্রহণের পর গার্ড অফ অনার নিচ্ছেন মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

রাহাত মিনহাজ: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র একটি দেশের রক্তাক্ত জন্মের প্রমাণপত্র। যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া একটি দেশের ন্যায়সঙ্গত সশস্ত্র সংগ্রামের দলিল, যার মাধ্যমে ‍যুদ্ধের নৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি এই ঘোষণাপত্র একটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামেরও বৈধতা দেয়। বিশ্বব্যাপী সম্মতি তৈরি করে। ১৯৭১ সালের এমনই এক দলিল বিশ্ববাসীর সামনে হাজির করেছিল বাংলাদেশ। আহ্বান ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখার। আহ্বান ছিল বিপন্ন মানুষ ও মানবতার পাশে দাঁড়ানোর। যা এখন বাংলাদেশের সংবিধানের অংশ। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে সপ্তম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তি সংগ্রাম নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থসর্বস্ব কুতর্কের শেষ নেই। একদল বিকৃত মগজের কুতার্কিক মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা নিয়ে ভুল তথ্য পরিবেশন ও কুতর্কের মাধ্যমের মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক আন্দোলনকে খাটো করে দেখতে চান। অনেকেই আবার বলতে চান ২৫ মার্চের ক্র্যাকডাউনের পর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এর আগে কোন প্রস্তুতি ছিল না! এইসব ইতিহাসবিমুখ কুতার্কিকদের জন্য বিশেষ এক পাঠ্য হতে পারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র তৈরির ইতিহাস। যা থেকে সহজেই অনুধাবন করা যায় কতটা পরিকল্পিত ও সুসংগঠিত ছিল বাংলার মুক্তি সংগ্রামের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ দুপুর একটা পাঁচ মিনিটে এক বেতার বিবৃতিতে ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণপরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন ইয়াহিয়া খান। পাকিস্তানি রাষ্ট্রপতির ওই ঘোষণায় নিদারুণভাবে অপমানিত বোধ করে সাড়ে সাত কোটি বাঙালি। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ঢাকা। আন্দোলনের উত্তাল ঢেউ আছড়ে পড়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। এর আগে জানুয়ারির মধ্য ভাগ থেকেই শাসনতন্ত্র প্রণয়ন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলছিল ইয়াহিয়া খান আর জুলফিকার আলী ভুট্টোর। যদিও বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিশ্চিত জানতেন খুব সহজে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না পাঞ্জাবিরা। আর সেজন্যই চলছিল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিকল্পনা। যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে চিন্তা শুরু করেন শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। শুরু হয় সক্রিয় আলোচনা। যে বিষয়টির একটি বিবরণ পাওয়া যায় সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. কামাল হোসেনের বিবরণীতে।


বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে কামাল হোসেনের ‘বাংলাদেশ: কোয়েস্ট ফর ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস’ নামের বইয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য বর্ণনা রয়েছে। কামাল হোসেনে উল্লেখ করেছেন, স্বাধীনতার ঘোষাপত্রটির কাজ শুরু হয় ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। যখন শাসনতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও পিপিপি প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টোর দরকষাকষি চলছে। কামাল হোসেন লিখেছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাধীনতার সম্ভব্য ঘোষণা নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলত। এরকম একটি বৈঠকে একতরফা স্বাধীনতার ঘোষণা (Unilateral declaration of independence) নিয়েও আলোচনা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের ভাবনা ছিল, গণপরিষদের অধিবেশন বসতে আরও দেরি হলে স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে। এমনই এক পরিপ্রেক্ষিতে তাজউদ্দীন আহমদের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে আইনসিদ্ধ একটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (declaration) তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় ড. কামাল হোসেনকে। টানা দুই দিন মতিঝিলের শরীফ ম্যানশনের অফিসে তাজউদ্দীন আহমদের তত্ত্ববাধায়নে কাজ করে এই ঘোষণাপত্র তৈরি করেন ড. কামাল। যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয় ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১। উল্লেখ্য এই ঘোষণাপত্রে ড. কামাল হোসেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে ভিত্তি হিসেবে ধরেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে যেমন ব্রিটিশ রাজপরিবারর শোষণ, নির্যাতন ও অবিচারের চিত্র ছিল ঠিক তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে তুলে ধরা হয় পাকিস্তানিদের শোষণ, নির্যাতন ও বঞ্চনার চিত্র। ড. কামাল হোসেন লিখেছেন, “The text used as a precedent was the American Declaration of Independence which recited the injustices perpetrated by the British Crown to justify the act of declaring independence. Closeted with Tajuddin Bhai in my chambers in Sharif Mansions in Motijheel for over two days, I typed the draft declaration myself, given its absolutely confidential nature. We duly prepared the draft and handed it over to Bangabandhu around 10 February, he then kept it with himself. Not only had Tajuddin Ahmad been associated in this drafting but he was also to outline the plan of action for the implementation of the decision to declare independence should this course of action have to be adopted.” (Page:72, Bangladesh: Quest for freedom and justice,)

ড. কামাল হোসেন আরও উল্লেখ করেছেন, পরিকল্পনা ছিল অসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ঢাকাসহ বড় বড় শহরে জনসমাবেশ ঘটিয়ে রাজপথ দখলে নেওয়া হবে। এরপর সরকারি অফিস-আদালত, রেডিও স্টেশন দখলে নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানের ‍ওপর ক্ষমতা হস্তান্তরে চাপ প্রয়োগ করা হবে। এরপর ১৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যাতে সিদ্ধান্ত হয় ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর সঙ্গে আলোচনা চলবে। আর পরিস্থিতি তৈরি হলে ঘোষণা করা হবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

যদিও সেই সুযোগ আর আসেনি। ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানের বর্বর হামলায় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। যদিও চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত হয় স্বাধীনতার ঘোষণা। এদিকে প্রবাসী বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার সময় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে অনুভূত হয়। এ সময় প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ও ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম সমন্বিতভাবে কাজ করছিলেন। ২৫ মার্চের পর তারা একসঙ্গে সীমান্ত পাড়ি দেন, ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের জন্য একসঙ্গেই ১ এপ্রিল কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেখানে তাজউদ্দীনের সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী ও তার সহযোগীদের দুই দফা বৈঠকের পর প্রবাসী সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়। ১০ এপ্রিল বেতার ঘোষণার মাধ্যমে দেওয়া হয় প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা। এরপর ব্যস্ততা শুরু হয় বাংলাদেশের ভূ-খণ্ডে প্রবাসী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের। এ সময় তাজউদ্দীন আহমদ ও আমীর-উল-ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Declaration of Independence) অনুসারে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন। যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও প্রবাসী সরকারকে বৈধতা ও আইনি ভিত্তি দেওয়া। আর যেহেতু ফেব্রুয়ারি মাসে যে ঘোষণাপত্র (Declaration) তৈরি করা হয়েছিল সেটির সঙ্গে তাজউদ্দীন ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন, তাই এ বিষয়টি সম্পর্কে তার পরিষ্কার ধারণা ছিল। তাই খুব দ্রুতই এই নথিটি প্রস্তুত হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি বিবৃতি–যা কন্টিনেন্টাল কর্তৃক ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই গৃহীত হয়েছিল। সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৩টি উপনিবেশ বা অঞ্চল ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ছিল। যারা ব্রিটিশদের মাত্রাতিরিক্ত কর ও বৈষম্যমূলক নীতির কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ব্রিটিশদের সঙ্গে তাদের সশস্ত্র লড়াই শুরু হয়। এই লড়াইকে বিদ্রোহ বা গৃহযুদ্ধ হিসেবে গণ্য না হতে দিতে আমেরিকানরা আইনসিদ্ধভাবে একটি দলিলের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল। পরে যা সারা বিশ্বে সংগ্রামরত অন্তত ২০টি জাতি এই ঘোষণাপত্রের আদলে তাদের ন্যায়সঙ্গত স্বাধীনতার ঘোষণা তৈরি করে। যে দলে ১৯৭১ সালে যোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ।

২৫ মার্চ কালরাত্রির ভয়াবহ গণহত্যার বিষয়টি যুক্ত করে তৈরি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি তৈরি হলে তাজউদ্দীন তা একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীকে দেখিয়ে নিতে বলেন। আমীর-উল-ইসলাম কলকাতার প্রখ্যাত আইনজীবী সুব্রত রায় চৌধুরীকে দলিলটি দেখিয়ে নেন। আমীর-উল-ইসলাম উল্লেখ করেছেন, সুব্রত রায় অনেকটা অবিকৃত এবং দাঁড়ি-কমা-সেমিকোলন না পরিবর্তন করেই খসড়াটি চূড়ান্ত করার পক্ষে মত দেন। এরপর প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণাপত্র অনুমোদন করেন, যা আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। পরে এই ঘোষণাপত্র অনুমোদনের সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে।


১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গৃহীত ওই অনবদ্য দলিলে বলা হয়, যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর হইতে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়েছিল, এবং যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করিয়াছিলেন, এবং ...। যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনা করেছে এবং এখনও বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন গণহত্যা ও নির্যাতন চালাচ্ছে; এবং যেহেতু পাকিস্তান সরকার অন্যায় যুদ্ধ ও গণহত্য এবং নানাবিধ নৃশংস অত্যাচার পরিচালনার দ্বারা বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিদের পক্ষে একত্রিত হয়ে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করে তুলেছে;… বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি।… এই ঘোষণাপত্রটি ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের আম্রকাননে মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের সময় পাঠ করেন গণপরিষদের সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যে দলিল তৈরি করা হয়েছিল সেটার ইংরেজি নাম ছিল `Declaration of Independence` আর ১০ এপ্রিল গৃহীত দলিলটির ইংরেজি নাম `Proclamation of Independence`. অভিধান অনুযায়ী, Declaration ও Proclamation উভয়ই শব্দের বাংলা অর্থ ঘোষণাপত্র। তাই, ফেব্রুয়ারির দলিলটির নাম পরিবর্তিত হয়ে Declaration থেকে কেন ও কীভাবে Proclamation হলো সেটা খুব একটা পরিষ্কার নয়। শব্দগত এই পরিবর্তন কতটা জরুরি ছিল তাও ঠিক জানা নেই আমার। খুব সম্ভবত সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তবে শব্দগত বিষয় যা-ই হোক না কেন, চূড়ান্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের এই ঐতিহাসিক দলিলটির কাজ যে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছিল সে কথা বলাই বাহুল্য। যার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদ, ড. কামাল হোসেন ও ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম।

লেখক: শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

তথ্যসূত্র:

Hossain, Kamal (2016), BANGLADESH: Quest for freedom and Justice, Dhaka: UPL.
হাসান, মঈদুল (২০১০) মূলধারা ৭১, ঢাকা: ইউপিএল
ইসলাম, আমীর-উল (১৯৯১) মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, ঢাকা: কাগজ প্রকাশনা
সাক্ষাৎকার ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম (২০১৫)
 

 

মুক্তমত থেকে আরো পড়ুন