প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:৩৬
ইয়র্কে ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত আড্ডায় শিক্ষার্থীরা
ইংল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের জন্য বড় স্বস্তির ঘোষণা এসেছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ধরনের শিক্ষাঋণের সুদের হার আগামী শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের জুলাইয়ের মধ্যে দেওয়া ‘প্ল্যান–২’ শিক্ষাঋণ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ঋণের ক্ষেত্রেও এই সীমা প্রযোজ্য হবে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এটি কার্যকর থাকবে।
সরকার বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই ঝুঁকি থেকে স্নাতকদের সুরক্ষা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে এই ঋণের সুদের হার মূল্যস্ফীতির সঙ্গে অতিরিক্ত শতাংশ যোগ করে নির্ধারণ করা হয়। ফলে বেশি আয়ের গ্র্যাজুয়েটদের ক্ষেত্রে ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়তে থাকে। চলতি বছর কিছু ক্ষেত্রে সুদের হার ৬ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে, যা সরাসরি শিক্ষাঋণের সুদের ওপর প্রভাব ফেলত। সেই প্রেক্ষাপটেই আগাম পদক্ষেপ হিসেবে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি পক্ষ বলছে, এই সিদ্ধান্ত ঋণগ্রহীতাদের তাৎক্ষণিক সুরক্ষা দেবে এবং অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আর্থিক চাপ কিছুটা কমাবে।
তবে শিক্ষার্থী সংগঠন ও বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও শিক্ষাঋণ ব্যবস্থার আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। তাদের মতে, শুধুমাত্র সাময়িক সীমা নির্ধারণ নয়, পুরো ব্যবস্থাকেই আরও ন্যায্য ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
উল্লেখ্য, এর আগেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার সময় শিক্ষাঋণের সুদের ওপর সাময়িক সীমা আরোপ করেছিল যুক্তরাজ্য সরকার।
বিশ্ব থেকে আরো পড়ুন