প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪:০৫
ভোটকেন্দ্রে পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহে কোনো বাধা থাকবে না। মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ব্যবহার করা যাবে, তবে ভোট কাস্টিং কক্ষের কোনো ছবি তোলা যাবে না।
বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসি কমিশনার জানান, গত বছরের জুলাই মাসের নির্দেশনার আওতায় পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ভোটারদের মোবাইল বা ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি থাকবে না।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। প্রবাসী ও কারাবন্দিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে ৩০০ জন সংসদ সদস্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনে আরও ৫০ জন নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন।
প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। প্রতি ভোটারের বিপরীতে ১০ টাকা হারে এই ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার প্রায় ১০ হাজার সাংবাদিক নির্বাচন কাভার করবেন বলেও জানান তিনি। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, এটি নির্বাচিত সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করবে। তবে সম্পর্কের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন