লাইফস্টাইল

তীব্র শীত মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোর জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ ০২:৩১

দেশজুড়ে তীব্র শীতের মধ্যে শীতকালীন রোগের বাড়তি ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ৭ দফা জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থ বিবেচনায় শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নিম্নোক্ত সাতটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা

১. হাসপাতালের অবকাঠামো সংস্কার:
ভাঙা জানালা, দরজা কিংবা যেসব স্থান দিয়ে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, সেগুলো দ্রুত পিডব্লিউডি, এইচইডি অথবা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মেরামত করতে হবে।

২. রোগীদের সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত:
ভর্তি রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল ও মশারি সরবরাহ করতে হবে, যাতে শীতের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

৩. প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত:
শীতকালীন রোগের চিকিৎসায় নেবুলাইজার সলিউশন, অ্যান্টিবায়োটিক, অক্সিজেন, ওরাল স্যালাইন, আইভি ফ্লুইডসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে নিশ্চিত করতে হবে।

৪. বৈকালিক রাউন্ড বাধ্যতামূলক:
শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে নিয়মিত বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করতে হবে, যাতে রোগীর অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।

৫. স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান:
রোগীর অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের শীতকালীন রোগ, উপসর্গ এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

৬. দৈনিক স্বাস্থ্য প্রতিবেদন পাঠানো:
প্রতিদিন হাসপাতালের সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির প্রতিবেদন এমআইএস কন্ট্রোল রুমে পাঠাতে হবে।

৭. বিশেষ নজরদারি:
হাসপাতাল প্রধানদের তত্ত্বাবধানে শীতকালীন রোগ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক নজরদারি জোরদার করতে হবে, যাতে রোগীরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পায়।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উপরোক্ত নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

এই নির্দেশনা দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বায়ান্ননিউজ২৪/সৈকত মাহমুদ

লাইফস্টাইল থেকে আরো পড়ুন