সাহিত্য

আমার প্রথম আলো

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৩ ০৪:০৪

palony‘প্রথম আলো’ পত্রিকা ৭ম অগ্রযাত্রা অভিনন্দিত, প্রশংসিত। এ কথা লেখা বাহুল্য, গত ছয় বছর সাপ্তাহিক প্রথম আলো তার সত্যনিষ্ঠ খবর আর সততা দিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।

একজন লেখক ও পাঠকের কাছে প্রথম আলো গ্রহণযোগ্যতা কতটা তা আমি ব্যক্তিগতভাবে এ যাবত উপলব্ধি করে আসছি। বিশেষত বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ তৈরিতে পত্রিকাটির অবদান অতুলনীয়।

নিজেকে লেখার মাধ্যমে ‘প্রথম আলো’ পরিবারের একজন মনে হয়। পত্রিকার সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরীর আন্তরিকতা, সৎ, নির্ভীক এবং একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি নতুন লেখকদের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান লেখকদের অনুপ্রাণিত করে লেখার হাত বাড়িয়ে তুলেন। আমি অতি সাধারণ মানুষ হিসেবে বরাবরই সত্যপাঠ ও সত্য প্রকাশের প্রতি দারুণ এক দুর্বলতা কাজ করেছে এবং আজো করে। ‘প্রথম আলো’ এমন একটি পত্রিকা কঠিন সত্য বলতে কার্পণ্য যেমন করেনি, তেমন ভীত হয়নি সত্য প্রকাশে। সৎ, নির্ভীক এবং একজন দেশপ্রেমিক সাংবাদিক হিসেবে অতিরিক্ত টাকা কামাই, ধনসম্পদ বানাবার চিন্তা, পাঁয়তারা ছিল না কখনই পত্রিকা সংশ্লিষ্টদের। দেশ ও জাতির কল্যাণে সত্য সংবাদ পরিবেশনই ছিল মূল ও একমাত্র লক্ষ্য। এককথায় সততার সঙ্গে জড়িতরাই এই কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস প্রকাশে প্রথম আলোর রয়েছে বিচক্ষণতা ও যথার্থ উদ্যোগ। ইতিহাসকে সমৃদ্ধভাবে উপস্থাপনে রয়েছে নানান আয়োজন। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ঐতিহ্য সব কিছুতেই এক পরিপূর্ণতার ছাপ পাওয়া যায় পত্রিকার পাতায়।

তরুণদের আগ্রহ বৃদ্ধি, আকৃষ্ট করা ফ্যাশন, বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন স্বাদের খাদ্য, মেয়েদের সাজ-সজ্জা পোশাকের নতুন মাত্রা এইসব আয়োজন ও ব্যবস্থা থাকে প্রথম আলোর উত্তরের নকশা পাতাটিতে।

তরুণ লেখকদের জন্য সাহিত্য চর্চার এক নির্ভরযোগ্য জায়গায় পরিণত হয়েছে ‘প্রথম আলো’র সাপ্তাহিক সাহিত্য পাতায়। আমার মনে হয় না এতটা সহজ বিচরণ তরুণ লেখকদের জন্য আর কোথাও আছে কিংবা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের উৎসাহিত করার চেষ্টারও কমতি নেই। প্রতি সপ্তাহে ভার্চ্যুয়ালি টকশোরও আয়োজন করে পত্রিকাটি।

আধুনিক বাংলা কবিতা নিয়ে এদেশের বিস্তর কবি ও কবিতা এই প্রথম আলোর আর একটি পাতা কবিতার এক পাতা। শুধু বরেণ্য কবিদের কবিতা ছাপানো হয় যা থেকে কবিতা লেখা বা পড়ার অভ্যাস আর অনুশীলন হয় নতুন কবিদের। 

সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন