দুদকের অনুসন্ধান
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ ০২:৫৪
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি)-এর বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দেশভাগের পর পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি (পিটিসি) করাচিতে কার্যক্রম শুরু করে এবং পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় বড় কারখানা গড়ে তোলে। স্বাধীনতার পর এসব সম্পদের মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে যাওয়ার কথা থাকলেও একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে তা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
দুদকে জমা পড়া অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, তৎকালীন পিটিসির ফাইন্যান্স ম্যানেজার ও পরবর্তীতে সরকারের উচ্চপদে থাকা জামালুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট রাজনৈতিক প্রভাব ও জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারি মালিকানায় নিতে সহায়তা করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫৫ বছরে এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব ও সম্পদ হারিয়েছে।
দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানি পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে রূপ নেয়। প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ বিদেশে নেওয়ার বিষয়েই মূলত অর্থপাচারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিএটির কাছেও বিভিন্ন তথ্য ও নথি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে এটি দেশের অন্যতম বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
অর্থনীতি থেকে আরো পড়ুন