বাংলাদেশ পুলিশের ৯৯ শতাংশ সদস্যই সৎ, দায়িত্বশীল এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, অল্প কিছু বিচ্ছিন্ন অনিয়মের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬ সময়কালের ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার করতে হবে, যাতে কোনো সদস্যের ভুলে পুরো বাহিনী প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও আস্থার জায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।”
সাম্প্রতিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও যৌথ প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একটি সফল জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে এবং জনগণের প্রশংসা অর্জিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ তদন্তে সিআইডির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্ববোধ এবং আইনি সক্ষমতার মাধ্যমে তারা বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে। তদন্তের গতি ও মান উন্নয়নের পাশাপাশি সময়মতো মামলা নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আইজিপি অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগ, দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত দল গঠন এবং মাদক ও সাইবার অপরাধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সম্মেলনে বিভিন্ন ইউনিট তাদের কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে এবং সে অনুযায়ী বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন