খামেনির মৃত্যুতে শূন্যতা
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ ১২:৩৫
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির সংবিধান অনুযায়ী তিন সদস্যের ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’ গঠন করা হয়েছে। পরিষদের প্রধান করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে।
সরকারি বার্তাসংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি এর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
নবগঠিত পরিষদের অপর দুই সদস্য হলেন বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই এবং প্রভাবশালী সংস্থা গার্ডিয়ান কাউন্সিল এর একজন জ্যেষ্ঠ আলেম।
ইরানের সংবিধানের ১১১ নম্বর ধারায় বলা আছে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মৃত্যুবরণ করলে বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ রাষ্ট্রের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়। পরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনির নিহত হওয়ার দাবি করেন। একই তথ্য নিশ্চিত করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরদিন তেহরান সরকারিভাবে তার মৃত্যুর কথা স্বীকার করে।
৮৬ বছর বয়সী খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি প্রতিরক্ষা, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে সরাসরি প্রভাব রাখতেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ গঠন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি সাংবিধানিক পদক্ষেপ। তবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশ্ব থেকে আরো পড়ুন