প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০২:৩২
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফেসবুক বুস্টিংসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রচারণার ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক।
চিঠিতে বলা হয়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রণীত ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। বিধিমালার ১৬ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে, কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রচার শুরুর আগে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ সব শনাক্তকরণ তথ্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া আচরণ বিধিমালার ২২(২) ধারায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং বা স্পন্সরশিপ বাবদ যে ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এসব ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন কমিশনের কাছে দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে, তা গোপন রাখা যাবে না। সব ব্যয় নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে— কোন রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠাতে হবে।
ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা দলের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বায়ান্ননিউজ২৪/আসিফ
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন