প্রকাশ: ০১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬:৪৫
তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে রাজনৈতিক বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় টানাপড়েনের দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এই সফরকে সৌজন্যমূলক একটি উপস্থিতি হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ছিল সংক্ষিপ্ত। তবে তিনি পুরো আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করেছেন, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। এর বাইরে বাড়তি কোনো রাজনৈতিক অর্থ খোঁজার প্রয়োজন নেই।
তিনি জানান, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। একই উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ডুঙ্গেল, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ও উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলি হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিতা হেরাথও ঢাকা সফর করেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশের প্রতিনিধিরাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত কোনো বৈঠক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতের বাইরে দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং পারস্পরিক সৌজন্য বিনিময় হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখবে কিনা জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, এর উত্তর ভবিষ্যতেই পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একটি ইতিবাচক ও সম্মানজনক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর পক্ষ থেকেও এই সম্মান স্বীকৃত, তাই তার মৃত্যুতে ও জানাজায় বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখা উচিত।
বায়ান্ননিউজ২৪/নিউজরুম এডিটর
রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন