এক রাতে ৩টি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রোববারের প্রথম প্রহরে পরপর ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল।
শনিবার রাত থেকে রোববার ভোররাতের মধ্যে মিয়ানমার, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং ত্রিপুরা অঞ্চলে একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। এসব কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায়।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ১২টার পরপরই মিয়ানমার ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় দুটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প ঘটে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার এলাকায় একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯ এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে পরবর্তী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল প্রায় ৫ দশমিক ০।
এরপর রোববার রাত ১২টা ৫৭ মিনিটের দিকে ভারতের ত্রিপুরার ধলাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ধলাই এলাকায় এবং গভীরতা ৩০ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে।
এর আগে রাতের প্রথম ভাগে মিয়ানমার ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়া ভূমিকম্পের কম্পন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লাসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে ত্রিপুরার কম্পনের প্রভাবও সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পের ঘটনায় রাতের নিস্তব্ধতায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘুম থেকে উঠে ভূমিকম্পের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান। বিশেষ করে ভবনের ওপরের তলায় থাকা মানুষের মধ্যে কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে বলে বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
তবে এখন পর্যন্ত এসব ভূমিকম্পে বাংলাদেশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.