রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানানো হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে জাতীয় সংসদের স্পিকার বিদেশে থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্পিকার দেশে ফেরার পরই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে, শূন্য পদে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিল মাসে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়জুড়ে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.