যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের গুঞ্জন
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নেতৃত্ব সংকটের মুখে দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এখন নেতৃত্ব পরিবর্তনের লড়াই শুরু হলে লেবার পার্টি “বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যাবে”।
বুধবার (১৩ মে) পার্লামেন্টে লেবার এমপি ও মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে স্টারমার বলেন, “আমরা নেতৃত্বের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে দেশ ও দলকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিতে পারি না।”
বিবিসির রাজনৈতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কয়েক দিনের ব্যবধানে শতাধিক লেবার এমপি প্রকাশ্যে বা আড়ালে তার পদত্যাগ কিংবা ক্ষমতা ছাড়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি তুলেছেন।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে ঘিরে নতুন নেতৃত্বের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে গেলে তিনি খুব শিগগিরই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেন। যদিও স্ট্রিটিং নিজে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতার ঘোষণা দেননি।
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান নেতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে কমপক্ষে ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে দলটির ভেতরে স্টারমারবিরোধী অবস্থান দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী আল কার্নসের ঘনিষ্ঠরাও জানিয়েছেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হলে তিনিও প্রার্থী হওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন। তবে তাকে এখনো “আন্ডারডগ” বা তুলনামূলক দুর্বল সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এরই মধ্যে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নামও আলোচনায় এসেছে। তবে তিনি বর্তমানে এমপি নন। ফলে নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তাকে আগে পার্লামেন্টে ফিরতে হবে। যদিও কয়েকজন এমপি তার জন্য আসন ছাড়বেন—এমন গুঞ্জন ছড়ালেও সংশ্লিষ্ট এমপিরা তা অস্বীকার করেছেন।
বুধবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত রাজার ভাষণের মধ্য দিয়েও সরকার নতুন রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর সরকার “পুনর্গঠন” করতে চাইলেও এখন স্টারমার নিজেই নিজের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
গত কয়েক দিনে লেবার পার্টিতে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর কয়েকজন মন্ত্রী ও পার্লামেন্টারি সহকারী পদত্যাগ করেছেন। আবার শতাধিক এমপি স্টারমারের পক্ষে বিবৃতি দিলেও দলীয় ভেতরের বিভাজন এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক দিনই নির্ধারণ করবে স্টারমার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন, নাকি যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দলে নতুন নেতৃত্বের লড়াই আনুষ্ঠানিক রূপ নেবে।যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নেতৃত্ব সংকটের মুখে দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এখন নেতৃত্ব পরিবর্তনের লড়াই শুরু হলে লেবার পার্টি “বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যাবে”।
বুধবার (১৩ মে) পার্লামেন্টে লেবার এমপি ও মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে স্টারমার বলেন, “আমরা নেতৃত্বের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে দেশ ও দলকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিতে পারি না।”
বিবিসির রাজনৈতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কয়েক দিনের ব্যবধানে শতাধিক লেবার এমপি প্রকাশ্যে বা আড়ালে তার পদত্যাগ কিংবা ক্ষমতা ছাড়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি তুলেছেন।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে ঘিরে নতুন নেতৃত্বের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে গেলে তিনি খুব শিগগিরই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেন। যদিও স্ট্রিটিং নিজে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতার ঘোষণা দেননি।
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান নেতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে কমপক্ষে ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে দলটির ভেতরে স্টারমারবিরোধী অবস্থান দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী আল কার্নসের ঘনিষ্ঠরাও জানিয়েছেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হলে তিনিও প্রার্থী হওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন। তবে তাকে এখনো “আন্ডারডগ” বা তুলনামূলক দুর্বল সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এরই মধ্যে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নামও আলোচনায় এসেছে। তবে তিনি বর্তমানে এমপি নন। ফলে নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তাকে আগে পার্লামেন্টে ফিরতে হবে। যদিও কয়েকজন এমপি তার জন্য আসন ছাড়বেন—এমন গুঞ্জন ছড়ালেও সংশ্লিষ্ট এমপিরা তা অস্বীকার করেছেন।
বুধবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত রাজার ভাষণের মধ্য দিয়েও সরকার নতুন রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর সরকার “পুনর্গঠন” করতে চাইলেও এখন স্টারমার নিজেই নিজের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
গত কয়েক দিনে লেবার পার্টিতে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর কয়েকজন মন্ত্রী ও পার্লামেন্টারি সহকারী পদত্যাগ করেছেন। আবার শতাধিক এমপি স্টারমারের পক্ষে বিবৃতি দিলেও দলীয় ভেতরের বিভাজন এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক দিনই নির্ধারণ করবে স্টারমার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন, নাকি যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দলে নতুন নেতৃত্বের লড়াই আনুষ্ঠানিক রূপ নেবে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.