৩ শতাধিক শিশুহত্যার দায় কি এড়াতে পারেন ইউনুস-নুরজাহান?
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামজনিত উপসর্গে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে হাম ও হামজনিত উপসর্গে প্রায় ৩০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মৃত শিশুরা অধিকাংশই নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।
এসব শিশুর মধ্যে হামের পাশাপাশি চিকেনপক্সের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। অনেকের সারা শরীরে কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ছে, যার কারণ চিকিৎসকরা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘শিশুমণি নিবাস’-এ পিতা-মাতা পরিত্যক্ত শিশুরা সরকারো আশ্রয় বেড়ে ওঠে। সেখানকার প্রতিটি শিশুই হাম, বসন্তসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত। ঢাকাসহ বিভিন্ন শিশু হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বেডের অভাবে অনেক শিশুকে করিডোর ও ফ্লোরে মানবেতর অবস্থায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে।
বাংলাদেশে শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রতি বছর দু’বার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চালানো হয়। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সীদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়, যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মৃত্যুঝুঁকি কমায়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে হামের টিকা ক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পুষ্টি ও ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনেও ব্যাপক গাফিলতির এসবের পেছনে কারণ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা।
দেশ ও সমাজ সচেতন নাগরিকেরা বলছেন, ইউনূস সরকারের চরম অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এতগুলো নিষ্পাপ শিশুর অকাল মৃত্যু ঘটলেও জুলাই ২০২৪-এর মতো তীব্র প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না। যারা একসময় শিশুমৃত্যু ও গণহত্যার বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন, তারা এখন নীরব।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.