‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৪ (শুক্রবার)
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নারীপ্রধান দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় কয়েকজন সুবিধাভোগী নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

সরকার জানিয়েছে, পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করতে জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। তারা সরেজমিনে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করেন।

পাইলট পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণসহ বিভিন্ন যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবার একটি করে আধুনিক স্মার্ট কার্ড পাচ্ছে। কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী। সাধারণত পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। তবে সদস্যসংখ্যা বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবে। ভবিষ্যতে একই মূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জি টু পি পদ্ধতিতে সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ভাতার টাকা পাঠানো হবে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না। পাইলট পর্যায়ের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ কার্ড প্রস্তুত ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হবে।

এডিটর ইন চীফ: গোলাম রসুল খান

মোবাইল: +447538476881

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.