নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ এর অভিযোগে সাবেক দুই উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে দলটির নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এ দাবি জানান।
নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগ
ড. তাহের বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। কিছু আসন নিয়ে আদালতেও মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তার দাবি, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য থেকে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে তাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ
ব্রিফিংয়ে ড. তাহের আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা খলিলুর রহমানও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তার মতে, বিষয়টি পরিষ্কার করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে কারা কী ধরনের ভূমিকা রেখেছে তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা জরুরি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ
জামায়াতের নায়েবে আমির দাবি করেন, নির্বাচনের পরও দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দেশে স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরেও আলোচনা
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাজনীতির একটি অংশ নারীবাদ ও নারীর ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। সেই শক্তিকে মূলধারায় আসতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা ভূমিকা রাখতে পেরেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এই বক্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.