ইরানে পদাতিক সেনা পাঠানো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লুকোচুরি
ইরানে চলমান সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র কি পদাতিক বাহিনী মোতায়েন করেছে—এ প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর। সোমবার পেন্টাগনে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে ইরানে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলার নেই। ভবিষ্যতে কী করা হবে বা হবে না, সে বিষয়েও এখনই আলোচনা করা ঠিক হবে না। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র “জয়ের জন্যই লড়ছে” এবং কৌশল প্রকাশ করা হবে না।
অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে ধোঁয়াশা
ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত চারজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিংবা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
অভিযানের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী, কতদিন তা চলবে এবং সাফল্যের মানদণ্ড কী—এমন প্রশ্নেও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি। হেগসেথ বলেন, এসব তথ্য প্রকাশ পেলে মার্কিন বাহিনী কৌশলগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
গোপনীয়তাই কৌশল
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা প্রকাশ করা শত্রুর সুবিধা বাড়াবে। তাই যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলেও তা আগে থেকে জানানো হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও পেন্টাগনের এই সতর্ক ভাষ্য সম্ভাবনাকে পুরোপুরি নাকচও করছে না। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করছে সামরিক ও কূটনৈতিক অগ্রগতির ওপর।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.