ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত

প্রকাশিত: ০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯ (সোমবার)
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির একাধিক রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি ও ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, রোববার সকালে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর তথ্য স্বীকার করে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি এক প্রতিবেদনে তাকে “শহীদ” আখ্যা দিয়ে জানায়, দেশের মর্যাদা রক্ষায় তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন।

তার মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী শনিবার সকালে তেহরানে অবস্থিত তার সরকারি বাসভবন লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। পরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রথম খামেনির নিহত হওয়ার দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একই তথ্য নিশ্চিত করেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র উল্লেখ করেছে।

প্রথমে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে সরকারিভাবে তার মৃত্যুর কথা স্বীকার করা হয়।

১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন এবং পার্লামেন্ট, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ, অর্থনীতি ও গোয়েন্দা কাঠামোর ওপর তার সরাসরি প্রভাব ছিল।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে শাহ শাসনের অবসানের পর ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। ১৯৮৯ সালে তার মৃত্যুর পর খামেনি দায়িত্ব নেন এবং দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে দেশটির নেতৃত্ব দেন।

খামেনির মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইতোমধ্যে অঞ্চলজুড়ে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

সূত্র: সিএনএন, এক্সিওস।

সম্পাদক ও প্রকাশক: গোলাম রসুল খান

মোবাইল: +44 7440589342

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.