অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষার্থী উদ্ধার, প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে অপহৃত এক স্কুলছাত্রকে প্রধানমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশনার পর এক ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনাটি ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, সাধারণ নাগরিকের ক্ষেত্রে এমন দ্রুত পদক্ষেপ কি সব সময় সম্ভব হয়?
মঙ্গলবার বিকেলে খিলগাঁওয়ের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীটি দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর জোড়পুকুর এলাকায় ৪ থেকে ৫ জন যুবক তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং তার বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
অপহৃতের বাবা খন্দকার শামীম সচিবালয়ের কর্মচারী। সন্তানের অপহরণের খবর পেয়ে তিনি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে বিষয়টি জানান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ উদ্ধার অভিযানে নামে।
রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম জানান, কৌশলে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সময় নেওয়া হয়। একপর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর খিলগাঁওয়ের ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারীরা পালিয়ে গেলেও তাদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার দ্রুত সমাধানে পরিবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তবে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, সবার কি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছানোর সুযোগ আছে? সাধারণ মানুষের সন্তান অপহৃত হলে তারা কীভাবে একই ধরনের দ্রুত সহায়তা পাবে?
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমান ও তাৎক্ষণিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিও উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.