ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহ না পেরোতেই ১০০৬ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন
দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহও পূর্ণ হয়নি বর্তমান সরকারের। এর মধ্যেই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এক বার্তায় এ তথ্য জানান। বার্তায় বলা হয়, বিগত ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। পর্যালোচনার ভিত্তিতে মামলাগুলো প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলার অধিকাংশই বর্তমান সরকারের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা এসব মামলাকে রাজনৈতিক হয়রানি হিসেবে উল্লেখ করে আসছিলেন। সরকার গঠনের পরপরই সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন এখনও বসেনি। সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নির্বাহী সিদ্ধান্তে এত বড় সংখ্যক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়ায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, এমন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও সংসদীয় আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত ছিল।
অন্যদিকে সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো দাবি করছে, নিরপরাধ রাজনৈতিক কর্মীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব এবং বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলা প্রত্যাহার একটি স্বীকৃত আইনি প্রক্রিয়া হলেও তা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ফলে পরবর্তী ধাপে মামলাগুলো আদালতে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখানকার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তালিকা ও প্রজ্ঞাপন শিগগির প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.