ভোট কেনাবেচা ঠেকাতে নির্বাচনে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন নজরদারিতে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট কেনাবেচা রোধে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন কঠোর নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী সময় অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাঠ প্রশাসনকে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ভোট কেনাবেচার অভিযোগ যেন কোনোভাবেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ না করতে পারে, সে জন্য এবার প্রতিটি আসনে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি অস্বাভাবিক লেনদেন হয়, তাহলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ থাকবে না। স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা—এই তিনটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের ছয়টি পৃথক কমিটি কাজ করছে এবং এসব কমিটিকে তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
গণভোট প্রসঙ্গে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। হ্যাঁ অথবা না ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করবে এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সরকার। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.