সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের বারোটা বাজাচ্ছে: প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের নতুন উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। তবে এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরাই মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিচ্ছেন বলে গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা সংক্রান্ত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আপনারা পাশে আছেন বলেই মানুষ বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক তথ্য পাচ্ছে।”
সিইসি দাবি করেন, বিশ্বের ১২২টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পোস্টাল ব্যালট চালু করা একটি সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ। এটি সফল হলে বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হবে। তার ভাষায়, “অনেক উন্নত দেশও যা পারেনি, আমরা সেটাই করতে যাচ্ছি।”
তিনি বলেন, ভিন্ন ভিন্ন দেশের আইন, সংস্কৃতি ও ডাক ব্যবস্থাকে এক কাঠামোয় আনা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নির্বাচন কমিশনের টিম ও বিদেশে কর্মরত দূতাবাসগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে। এ উদ্যোগে ভুলত্রুটি বা বিভ্রান্তি থাকতে পারে, কিন্তু এর পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, অনেকেই বিষয় না বুঝে মন্তব্য করছেন। সাংবাদিকরা যদি মানুষের বিভ্রান্তি দূর করেন, তাহলে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শুধু প্রবাসী নয়—কর্মস্থলের কারণে নিজ এলাকায় থাকতে না পারা ভোটার এবং কারাবন্দীদের জন্যও ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানান, পোস্টাল ব্যালটে ভোট গ্রহণ চলবে ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাস থেকে পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন করা কেউ ছুটিতে দেশে থাকলে তিনি ভোট দিতে পারবেন না।
ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বায়ান্ননিউজ২৪/সৈকত
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.