আরব সাগরে নৌবাহিনী মোতায়েন সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের
আরব সাগরে নৌবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সমুদ্রপথে চোরাচালান প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যেই এ মোতায়েন।
তবে ইয়েমেনের চলমান সংঘাত বা সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি জোটটি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো আরব সাগর অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।”
ইয়েমেনে উত্তেজনার মধ্যেই ঘোষণা
এদিকে ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই নৌবাহিনী মোতায়েনের এ ঘোষণা এলো।
এরই মধ্যে ইয়েমেনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ হারদামাউতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি দখলের দাবি করেছে সৌদি সমর্থিত সরকার।
হারদামাউতের গভর্নর জানিয়েছেন, আল-খাসা এলাকায় অবস্থিত ৩৭ নম্বর ব্রিগেডের সামরিক ঘাঁটি সরকারি বাহিনী দখলে নিয়েছে। এটি প্রদেশটির সর্ববৃহৎ সামরিক ঘাঁটি বলে জানা গেছে।
বিমান হামলায় হতাহতের খবর
ঘাঁটি দখলের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আল-খাসা এলাকায় বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এ হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। হামলার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে দায়ী করা হলেও এ বিষয়ে জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আরব সাগরে নৌবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
সূত্র: আলজাজিরা।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.