আতঙ্কে নির্বাচন কর্মকর্তারা, চান পুলিশি নিরাপত্তা

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:৫৮ (মঙ্গলবার)
আতঙ্কে নির্বাচন কর্মকর্তারা, চান পুলিশি নিরাপত্তা


নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ড বাড়ছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে নির্বাচন কমিশনেও। মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ‘মব কালচার’-এর কারণে তারা ক্রমেই বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

ইসির কার্যক্রম রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনসহ ১০টি আঞ্চলিক, ৬৪ জেলা ও ৫১৯ উপজেলা/থানা অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ঢাকার নির্বাচন ভবন ছাড়া কোথাও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। অধিকাংশ উপজেলা অফিসে মাত্র একজন নিরস্ত্র প্রহরী থাকেন, যা কর্মকর্তাদের মতে “এখন আর যথেষ্ট নয়।”

মাঠ কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন উপজেলা কার্যালয়ে হামলা বেড়েছে। কক্সবাজারে এক কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা, টাঙ্গাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে গণপিটুনির ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এসব ঘটনায় দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি নির্বাচন ভবনেও দু’বার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, এরপর সেখানে নিরাপত্তা বাড়ানো হলেও মাঠ অফিসের নিরাপত্তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

টাঙ্গাইল ঘটনাটি যা ঘটেছে

১০ নভেম্বর গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় তিনজন আহত হন। অভিযোগ তোলা হয়, “আওয়ামী লীগের পক্ষ নেয়ার” অভিযোগে কর্মকর্তাকে মারধর ও অফিস ভাঙচুর করা হয়।

কক্সবাজারে কর্মকর্তা মারধরের ঘটনা

৩০ মার্চ ভোরে উখিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে তার গ্রামের বাড়িতে হামলা করে ১০–১৫ জন বহিরাগত। এ ঘটনায় নির্বাচন কর্মকর্তাদের সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে মাঠ পর্যায়ে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানায়।

ইসির একাধিক কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলছেন, “ভয়–আতঙ্কের মধ্যে থেকে স্বাধীন কমিশনের কর্মকর্তারা কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন?”

সূত্র জানায়, আইন–শৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠকে মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও বাস্তবে তেমন অগ্রগতি নেই। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বায়ান্ননিউজ২৪/আবির

সম্পাদক ও প্রকাশক: গোলাম রসুল খান

মোবাইল: +44 7440589342

তথ্য ও প্রযুক্তি সহযোগী - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.