নিউইয়র্কে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ইলিয়াস খানের সংবর্ধনা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হওয়ায় সংবর্ধিত হয়েছেন নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কাওরান বাজার সুপারমার্কেটের অন্যতম স্বত্তাধিকারী ইলিয়াস খান। নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকাবাসী বাংলাদেশিরা গত ১৭ মার্চ শুক্রবার রাতে তাঁকে সংবর্ধিত করেন।
সংবর্ধনার জবাবে ইলয়াস খান বলেন, দল আমাকে সম্মানিত করেছে, জ্যামাইকাবাসীও আমাকে সম্মান দিয়েছেন। আমি এজন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আমার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব। তিনি ঘোষণা দেন যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলে শেরপুর-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের উপনেতা, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় হিলসাইড এভিনিউয়ে একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট।
যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম ও ফিরোজ আহমেদ, সাবেক প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, যুবদল নেতা আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এম এ বাতেন, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রহমান সায়েম ও সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) ইঞ্জিনিয়ার মাইন উদ্দিন মিয়াজী, সাবেক চেয়ারমান রুহুল কদ্দুস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান কাজী মোবাশ্বের আহমেদ হাসেমী, সাবেক শিক্ষক শওকত আলী, নিউইয়র্ক উত্তর মহানগর বিএনপি’র সদস্য সেলিম আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ফাউন্ডেশন ইউএসএ’র সভাপতি আল আমীন সুমন, সাবেক ছাত্রনেতা রাসেদ আল হাসান, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদ ইউএসএ’র সভাপতি শাহদৎ হোসেন রাজু বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুলের তোড়া দিয়ে ইলিয়াস খানকে সংবর্ধিত করা হয়। সংবর্ধনার জবাবে ইলিয়াস খান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং কেন্দ্রীয় যুবদল নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রবাসে থেকেও ২০১৮ সাল থেকে নিরবে-নিভৃতে দলের জন্য করেছি, আগামী দিনেও কাজ করব। দেশ ও প্রবাসে সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের আমলে দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যখন মামলা-মোকদ্দমা, হামলা-নির্যাতন চলছে। আমার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির ৩জন লোক একত্রে বসে চা খেতে পারত না, তখন আমি প্রবাসে বসেই আমার লোক দিয়ে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। নিজের অর্থ খরচ করে গত দুই মাসে আমার নির্বাচনী এলাকা ৬১জন বিএনপি নেতা-কর্মীকে হাইকোর্টের মাধ্যমে জামিন করিয়েছি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.